ষড়যন্ত্র কিন্তু শেষ হয়নি। এই যে ঘুমানো চক্র (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) দেখছেন, তারা কিন্তু একটি জিনিসই পারে। তা হলো ষড়যন্ত্র। তারা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির প্রতি ইঙ্গিত করে কথাগুলো বলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
শনিবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির শফিউর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্র করে স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও তারা একইভাবে ষড়যন্ত্র করছে। সবাইকে এ বিষয়ে আরো সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নেপথ্যে কারা ছিলেন তাদের চিহ্নিত করার জন্য একটি কমিশন দরকার। আজকে তাদের চেহারা ধীরে ধীরে উম্মোচিত হচ্ছে। আমরা সেই কমিশনও জনগণকে উপহার দেব, যাতে ইতিহাস ঠিকভাবে লিখিত হয়। বিকৃত ইতিহাস যেন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্মকে আর পড়তে না হয়।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তারা এখন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির হলে শুনানি করছেন। এখানে তারা বলছেন, গত ৩০ ডিসেম্বর নাকি নির্বাচন হয়নি। তাদের ওই অনুষ্ঠানে একজনও জনগণ নেই। তারা সেখানে বসে বসে ঘুমিয়েছেন।
তিনি বলেন, জনগণ শেখ হাসিনার সঙ্গে রয়েছেন, উনাদের সাথে নেই। উনাদের সঙ্গে জনগণ নেই বলেই তাদের সুপ্রিমকোর্ট বারের অডিটরিয়ামে বসে শুনানি করতে হয়। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে গণশুনানি করেছিলেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। আর এখানেই হলো শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের পার্থক্য




0 Comments